ফিরে পড়াঃ গদ্য

‘লং মার্চের স্মৃতি’ থেকে

নীলাব্জ চক্রবর্তী

১৯৮১ সালে বেইজিং-এর বিদেশী ভাষা প্রকাশনালয় থেকে প্রকাশ পায় এই বইটি। বাংলায় অনুবাদ করেন মাহফুজ উল্লাহ। চীনের ঐতিহাসিক লং মার্চের স্মৃতিকথা এই বই। লেখকেরা প্রত্যেকে লাল ফৌজের এই বিশ্ববিখ্যাত লং মার্চে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং বিভিন্ন দিক থেকে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন নানা অধ্যায়ে।
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে, ১৯৩৪ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছিল লং মার্চ। পথে লাল ফৌজ অসংখ্য কষ্ট ও বিপদের মোকাবিলা করে, বহু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা দখল করে। অতিক্রম করে দুরন্ত নদী, বরফ-ঢাকা উঁচু পর্বতমালা এবং জনবিহীন জলাভূমি। এগারোটি প্রদেশ ঘুরে পাড়ি দেয় প্রায় সাড়ে বারো হাজার কিলোমিটার।

পত্রিকার এই বিভাগে বইটি থেকে আপাতত একটি অধ্যায় রাখা হোলো এবারের সংখ্যায়...


ডাংলিং পর্বতে
উ সিয়ানএন

আমরা ডাংলিং পর্বতের পাদদেশে পৌঁছবার পর হেডকোয়ার্টার থেকে সরবরাহ বিভাগের প্রতি আদেশ আসে সৈন্যদের খাবার তৈরীর জন্য পরদিন বেলা আড়াইটার আগে পর্বতের অপর দিকে পৌঁছতে হবে।
ভোর তিনটায় খাদ্য রেশনের দুই তৃতীয়াংশ দিয়ে আমরা নাস্তা করি - জনপ্রতি ছয় আউন্সের কম এবং বুনো ঘাসের সঙ্গে সেদ্ধ করা। সাড়ে তিনটার সময় অস্তগামী চাঁদ এবং তারার আলোয় যাত্রা শুরু করি। নেতৃত্ব গ্রহণ করে অগ্রগামী ব্যাটেলিয়ন। পেছনে ঘোড়ার পিঠে থাকে সামান্য আহতরা এবং স্ট্রেচার বহনকারীরা মারাত্মক ভাবে আহতদের বহন করে। ঘোরানো পার্বত্য পথ দিয়ে আমরা এক লাইনে চলতে থাকি। পথের ধারালো পাথর পায়ের খড়ের স্যান্ডেল ভেদ করে খুব লাগছিল।
উপত্যকার ফাঁক দিয়ে আসা ঠাণ্ডা বাতাস আমাদের মুখে ধূলো ছিটিয়ে সতর্ক করে দেয় ঝড় আসন্ন। নির্ধারিত সময়ে পর্বত অতিক্রমের জন্য আমাদের তাড়াহুড়ো করা উচিত। দেরীর অর্থ শুধু বাতাস এবং বরফে উপোষ করে রাত কাটানো নয়, উপরন্তু লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতা। গতি অনুমান করার জন্য আমি ঘড়ি দেখতে থাকি এবং তাড়াহুড়ো করার জন্য লোকদের অনুরোধ করি। সময় দ্রুত চলে গেলেও আমাদের অগ্রগতি কমে আসছিল। লোকজনের পা তাদের অবাধ্য হয়ে ওঠে। সীসার মত ভারী হয়ে উঠেছিল তাদের পা। প্রতি পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজন ছিল অতিমানবিক প্রচেষ্টা।
এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। কেননা এক মাসের কষ্টকর মার্চের সময় আমরা একবেলা পেটভরে খেতে অথবা এক রাত ভালো করে ঘুমুতে পারিনি। পেট যত খালি হচ্ছে লোকজন ততই বেল্ট শক্ত করে বাঁধছে এবং হাঁটার সময় তাদের ঝিমুনি আসছে। তারা বার বার ঘাড়ের বোঝা এবং হাতের লাঠি বদল করছে - এমনকি একটি মগের ওজনও আধা টন মনে হচ্ছে। সবচে খারাপ অবস্থা হয়েছিল স্ট্রেচার বহনকারীদের। ঘাড় লাল হয়ে ফুলে গেলেও বাজপাখির মত তাদেরকে সামনের পথ দেখতে হচ্ছে এবং সতর্ক থাকতে হচ্ছে যাতে স্ট্রেচার হেলে না যায়।
একবার মুখ খুললে বাতাসে শক্তি উড়িয়ে নিয়ে যাবে এই ভয়ে কেউ কথা বলতে চায় না। এমনকি গল্পকার ওয়াং এবং প্রাণবন্ত ম্যাসেঞ্জার সুন ডাগাংও চুপ করে আছে। একমাত্র শব্দ ছিল তাদের জোরে নিশ্বাস ফেলার ও হাঁপানির।
আমার পেছনে থাকা রাজনৈতিক কমিশার যাং হঠাৎ জিজ্ঞাসা করলেন,“এত নীরব কেন সুন ডাগাং?”
ফোড়ন কেটে ওয়াং বলল, “আমি জানি কেন। বাড়ির জন্য তার মন খারাপ।”
আমি বোকা বনে যাই। ১৩ বৎসর বয়সে সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার পর থেকে যুবক সুন কখনো বাড়ীর জন্য মন খারাপ করে নি। সুনকেও হতভম্ব মনে হল যখন ওয়াং ধীরে ধীরে বলতে লাগল - “ডাংলিং পর্বত তাকে বাড়ীর ‘ফুল এবং ফল পর্বতের’ কথা মনে করিয়ে দেয়।” আমি এবং রাজনৈতিক কমিশার যাং উভয়েই হেসে উঠি।
পাল্টা জবাব দেয়ার জন্য নতুন উদ্যমে দৌড়ে আসে সুন। রসিকতা শোনার জন্য এগিয়ে এলেন পেছনের লোকজন। গতি বাড়িয়ে দিয়ে ওয়াং চীৎকার করে উঠলঃ “আমাদের পেছনের সৈন্যদের পথ করে দিতে ডাংলিং পর্বত সরিয়ে দেয়ার জন্য বানর সুনকে অনুরোধ করতে যাচ্ছে সুন ডাগাং”। সঙ্গে সঙ্গে শান্ত উপত্যকায় ছড়িয়ে পড়ল হর্ষধ্বনি।
পরে সময় দেখার জন্য যখন আমি ঘড়ি বের করি, তখন নিজের ঘড়িতে চাবি দিচ্ছিলেন রাজনৈতিক কমিশার যাং। তাঁর চোখে তৃপ্তির আভা। এই পর্বত অতিক্রমে প্রতিটি পদক্ষেপ বিজয়ের লক্ষ্যে এক একটি পদক্ষেপ।
হঠাৎ সামনের সৈন্যদের মধ্যে একটা সাড়া পড়ে গেল। তারপর এল দুঃসংবাদঃ পর্বতে ঝড় উঠেছে!
চোখের নিমেষে পর্বতের পেছন থেকে ধূলোর মাস্তুল উঠে সূর্যকে ঢেকে দিল। ক্ষিপ্ত পশুর মত চীৎকার করতে করতে আমাদের মুখের ওপর বরফ এবং কাঁকড় ছড়িয়ে দিল বাতাস। হাত ধরাধরি করে লোকজন মাটিতে শুয়ে পড়ে। বালুর সঙ্গে ধাক্কায় আমাদের পিঠের মগগুলো শব্দ করছিল। দুপুর হলে, অন্ধকার হয়ে এল।
হাঁফাতে হাঁফাতে অগ্রগামী ব্যাটেলিয়নের ম্যাসেঞ্জার এল রিপোর্ট করার জন্য - “ঝড় আমাদের বহু কমরেডকে গিরিখাতে আশ্রয় গ্রহণে বাধ্য করেছে”। তাই যাত্রা বিরতির আদেশ দিতে হল।
সন্ধ্যার পর বাতাসের তীব্রতা কমে আসে। আগুন জ্বালিয়ে আহতদের জন্য পানি সেদ্ধ করা, তাদের ড্রেসিং বদলে দেওয়া এবং ঘামে ভেজা কাপড় শুকানোর কাজে আমরা লেগে গেলাম। সহিস এসে ক্ষুদ্র ডালপালা এবং ঘাস সংগ্রহের আগেই গাছের বাকল খুঁটতে শুরু করল ঘোড়াগুলো। দুটি ঘোড়া জবাই করে আহতদের মাংস এবং অন্যান্যদের চামড়া এবং হাড় দেয়া হল। চূড়া অতিক্রমে শক্তি জোগাতে পরদিন ভোরের নাস্তার জন্য আমরা সামান্য খাদ্যশস্য রেখে দেই।
রওয়ানা হওয়ার আগে আমরা শুনেছিলাম এই পর্বতে বাতাসের পর পর অবশ্যই বরফ আসবে। বাস্তবে এখন খুব বেশী বরফ পড়ছিল।
সেই রাতের শেষ দিকে আমি এবং রাজনৈতিক কমিশার ঘুমন্ত মানুষদের ঘুরে দেখি। গভীর বরফ। গাছের ডালে ডালে এক ফুটের দীর্ঘ বরফ জমাট বেঁধেছে, বরফে নিভে গিয়েছে অনেক অগ্নিশিখা। আমাদের কেউ কেউ ঘুমের ঘোরে বরফের নীচে চাপা পড়েছে। কাল বিলম্ব না করে আমরা খোঁজ নেই আহতরা নিরাপদ আছে কিনা এবং তুষারপুঞ্জের নীচে বন্দীদের খুঁজতে শুরু করি।
এই পরিদর্শনের পর আমরা তাঁবুতে ফিরে আসি। রাজনৈতিক কমিশার শক্তসমর্থ লোক নন। কিন্তু এখন তিনি বড় বড় শ্বাস ফেলছেন এবং তাঁর ঘাড় ও মুখ লাল হয়ে উঠেছে কাজের ফলে। আমি তাঁর দীর্ঘ সাতাশ বছরের ভাড়াটে জীবনের ফলে বেঁকে যাওয়া পিঠ মালিশ করে দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁর শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে এল।
“বুড়ো উ” বলে হেসে তিনি গাছের আরেকটি ডাল ছুঁড়ে দিলেন নিভন্ত আগুনে। “আমার সন্দেহ হয় পৃথিবীর কোন শিল্পী এই বরফের দৃশ্যের প্রতি সুবিচার করতে পারবে কিনা?” ভূস্বামীর জন্য যখন কাজ করছিলেন তখন এক দিনের মারাত্মক তুষারপাতের কথা তাঁর মনে হল। যখন তিনি আস্তাবলে শু’য়ে ঠাণ্ডায় কাঁপছিলেন এবং ঘুমুতে পারছিলেন না তখন ঘোড়াগুলোকে কাঁথা দিয়ে ঢেকে দেয়ার আদেশ দেয় ভূস্বামী। তিনি বললেন - “সেটা অতীতের কথা। আমরা বর্তমানে ফিরে আসি। আজকের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ১৫ জন স্ট্রেচার বাহক হারিয়ে গেছে - ঠিক আছে, এটা আমরা কাটিয়ে উঠব। এবং আগামীকাল আরো সংকটময় হবে”। “এই গভীর বরফে আমরা বলতে পারব না কোথায় পথের শেষ এবং একটি খাড়া গিরিচূড়ার শুরু”।
পরদিনের আরোহণ নিয়ে আলোচনা করছি এমন সময় পেছনে একজনের কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম, “বিভাগীয় প্রধান! রাজনৈতিক কমিশার!” ফিরে তাকিয়ে দেখি ব্যান্ডেজ বাঁধা একজন কষ্ট করে হামাগুড়ি দিয়ে আমাদের দিকে আসছেন। তাঁবুর বাইরে তাঁর অর্ধেক শরীর বরফে আবৃত। তিনি কষ্ট করে মাথা তুললে আমরা আলোর আভায় দেখতে পেলাম ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার যাং।
আমরা দ্রুত তাঁকে নিয়ে এনে আমাদের ও আগুনের মাঝখানে রেখে উত্তপ্ত করি।
আমি কল্পনা করতে পারলাম না এত মারাত্মকভাবে আহত হওয়া সত্ত্বেও কি তাঁকে বরফের মাঝে এই গভীর রাতে নিয়ে এসেছে?
এক একবার আমাদের দু’জনের দিকে আধবোজা চোখে তাকিয়ে তিনি বললেন, “আপনারা এই মাত্র যা বলেছেন আমি শুনেছি......আমরা সবাই পরিস্থিতি জানি। আমি এ সম্পর্কে ভেবেছি এবং আপনাদের অবশ্যই আমাদের এখানে রেখে যেতে হবে”। কোন প্রতিবাদের আগেই তিনি তাড়াতাড়ি বললেন, “বিপ্লবের খাতিরে”!
কাশতে কাশতে রাজনৈতিক কমিশার বললেন, “লাল ফৌজের প্রত্যেকটি লোক বিপ্লবের বীজ। আমরা যতক্ষণ জীবিত আছি আপনাদের ছেড়ে যেতে পারি না”।
যন্ত্রণায় দাঁত কামড়ে তিনি বললেন - “আমি এ সম্পর্কে ভেবেছি। আমাদের বিপ্লবী শক্তি রক্ষার জন্য...” অবিন্যস্তভাবে মুখের ঘাম মুছতে মুছতে তিনি বললেন - “আমি এর পুরোটাই ভেবেছি। সাথীদের বোঝা হয়ে আমরা সিছুয়ান সহ পুরোপথ বাহিত হয়ে এসেছি। কতজন আমাদের জন্য প্রাণ হারিয়েছেন! আমি আমার জন্য কমরেডদের মরতে দেখতে পারি না। আপনাদের অবশ্যই বেঁচে থাকতে হবে... বিপ্লব সমাধা করার জন্য”। ধীরে ধীরে তাঁর চোখ বুঁজে গেল।
আমরা তাঁর নাম ধরে ডাকলাম, কিন্তু তিনি চলে গেছেন।
তখনো বরফের বড় বড় কণা পড়ছে। আগুন প্রায় নিভে আসছে।
দীর্ঘ রাত শেষ হলে, সংগ্রামী সাথীদের সমাধিস্থ করে আমরা আবার রওনা হলাম। যদিও কমিশার মারাত্মকভাবে দুর্বল ছিলেন, তথাপি পথ দেখানোর জন্য তিনি খুব চেষ্টা করে এগোলেন। যখনই আমরা খাড়া এবং চোরা ঢালুতে পৌঁছেছি, তখনই তিনি হাত নাড়িয়ে আমাদের গতি কমিয়ে বলতেন, “কমরেডগণ, ধীরে! এখানে ধীরে নামতে হবে!” তাঁর পথ নির্দেশের সঙ্গে আসতো মারাত্মক কাশির শব্দ।
আগের দিন চূড়ায় অবস্থানকারী আমাদের অগ্রগামী বাহিনীর কাছে পৌঁছে আমরা দেখতে পেলাম বরফে মৃতদেহ জমে আছে। একটি মুষ্টিবদ্ধ হাত বাতাসে নড়ছে। শক্ত আঙ্গুলগুলো খুলে আমরা দেখতে পেলাম একটি পার্টি সদস্য কার্ড ও রৌপ্য ডলার। কার্ডে লেখা রয়েছে, “চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য লিউ জিহাই, ১৯৩৩ সালের মার্চ মাসে সদস্য পদ লাভ”।
সদস্য কার্ড এবং রৌপ্য ডলারটি হাতে নিয়ে মাথা নত করে আমি বললাম - “শান্তিতে থাকুন, কমরেড জিহাই আমি আপনার কার্ড এবং সর্বশেষ সদস্য চাঁদা পার্টিকে দেব”।
চূড়ার পাশে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাওয়া প্রতিটা স্ট্রেচার লক্ষ্য করলেন রাজনৈতিক কমিশার। তাঁকে এই করুণ অবস্থায় দেখতে পেয়ে আহতদের অনেকের চোখে জল এসে যায়, কেননা তিনি নিজে খুব শক্তসমর্থ ছিলেন না। স্ট্রেচার বাহনকারীরা বলল - “চিন্তা করবেন না কমিশার! আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি”।
অন্তহীন সারিতে সামনে এগিয়ে গেল আমাদের সৈন্যরা। বরফের মত ঠাণ্ডা বাতাসে উঁচুতে দাঁড়িয়ে তা লক্ষ্য করলেন কমিশার। কাশতে কাশতে তিনি লোকজনকে উৎসাহ যোগালেন, যদিও প্রত্যেকটি শব্দ মারাত্মকভাবে কেড়ে নিচ্ছিল তাঁর শক্তি। “কমরেডগণ, পুরোপুরি এগিয়ে যান, সামনে! সা......মনে!”
বরফের উপর পড়ে তাঁর কর্কশ কণ্ঠস্বর হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে গেল। তাঁর আর্দালি পাগলের মত চীৎকার করে উঠল, “কমিশার! উঠুন! ধীরে ধীরে তিনি চোখ খুললেন এবং তাঁর পাশের ও এগিয়ে যাওয়া সৈন্যদের দিকে তাকালেন। কষ্ট করে হেসে বললেন, “এগিয়ে যান! কমরেডগণ, আমার সময় শেষ হয়ে এসেছে... পুরো চীনের জনগণ অপেক্ষা করছেন...”। তিনি ফিরে আর্দালির গালে চুমু খেলেন, তারপর কাঁপতে কাঁপতে আমার হাত ধরলেন। পরমুহূর্তেই নিভে গেল তাঁর জীবন প্রদীপ...
বরফে চোখের জলে আমরা তাঁকে সমাহিত করি। তারপর তাঁর ঘড়িটি জড়িয়ে নিয়ে উত্তুরে বাতাসের মুখে এগিয়ে গেলাম কমরেডদের পদচিহ্ন অনুসরণ করে।


টীকাঃ ষোড়শ শতাব্দীতে লেখা পৌরাণিক উপন্যাস “পশ্চিম তীর্থযাত্রা”-র নায়ক বানর সুন উখোং-এর বাড়ী। মনে করা হয় বানরের যাদুর শক্তি আছে।