কবিতা

২টি কবিতা

অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়

নাটকের অনুশীলন

আনুমানিক উচ্চতার জামা আর আমিও সেরে সেরে উঠতে থাকি চশমার ফাঁক দিয়ে।
ভাষার ওইপার থেকে দেখে ফেলি আঁচলের সময়।
কিরকম মায়া এখনো বিলানো আছে চালের সকালে। তুমি সবটা ঘুরিয়ে নিলেও

যেখানে পড়ে থাকে আরেকটা ফেব্রুয়ারি মাস। পড়ে থাকে মেয়ের রোদ্দুর আর ছেলের পাখিরা।
আজ যতদূর দেখি শুধু তিলের ভাবনা থেকে রঙের ফর্সা নিয়ে চলে যাচ্ছে জিন্স বুকের টেবিলে।
ওখানেই ডিনার।ডাকে এগোনো ব্যালকনি ।
কত কত ছোটবেলা হাঁ করে আছে।

এদিকে পেঁয়াজ কাটলে জল। চোখের না নাকের জানি না।
চামরা কেটে গেলেও সেই গলে গলে পড়ে যাওয়া প্যালেট।
আঁকা রাস্তা আঁকা ঘরবাড়ি এখনো জামের মর্জি মাখা।
না জামবাটি আমাদের ছিল না কোনদিন। খালি চিবুকে একটু জাম লেগে গেলেই
বিছানা পারাপার যেন সোনায় বাঁধানো

যেন চুমু দিলেই মেয়ে
আরো আরো চুমু দিলেই ছেলের চমকে ওঠা

তোমার হাটুতে গুঁজে রাখা মুখ
বদলে ওঠা সংসারের এই তাকানো চেহারা


গান

ধর্মের কথা মৃতদেহ টাঙিয়ে রেখেছে
আমার অছিলা নড়ছে ক্লান্তির পাশে
ভোরের প্রতিশব্দের জন্য

বাড়িহীন সামগ্রীর কথা
তোমাকে জানিয়েছিলাম
আর ধুলোর শিবির থেকে বিছানা পর্যন্ত
কয়েকটা তারিখ

এই হারানো অস্ত্র কারখানায় সেদিন
আমাদের কোন পূর্বাভাস ছিল না

শুধু অপেক্ষা পোড়াতে পোড়াতে

শেষ দেখাটাও হারিয়ে গেল আবার
ছাপাখানার শিরোনামের সাথে